জাল সনদে চাকরি: ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ সাবেক হাইকোর্ট কর্মচারীকে


সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রায় ১৯ বছর আগে চাকরি নিয়েছিলেন মোহাম্মদ গোলাম মাওলা। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেষ হয়েছে তাঁর চাকরিজীবন। এবার চাকরিকালে বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আদেশটি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদের মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগে অফিস সহকারী পদে চাকরি নিয়েছিলেন। চাকরিরত অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভাগীয় মামলা নং ০৯/২০২১-এর সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর বিধি অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জাল শিক্ষাসনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গোলাম মাওলার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল বলে গণ্য হবে। ফলে চাকরিকালীন সময়ে তিনি কোনো বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকারী নন।

আদেশ অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরিকালে তিনি বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা গ্রহণ করেছেন।

চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য হওয়ায় ওই সময়ের কোনো বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকার তাঁর নেই। তাই গ্রহণ করা পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

অর্থাৎ, প্রায় ১৯ বছরের চাকরিকালে বেতন-ভাতা হিসেবে নেওয়া পুরো অর্থই এখন ফেরত দিতে হবে সাবেক এই হাইকোর্ট কর্মচারীকে।



Source link

tags]

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *