সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধান বিচারপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে


প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘকালের দ্বিপাক্ষিক ঐতিহাসিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। চীনের রাষ্ট্রদূত আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়া, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে চীন বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে তিনি প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন। বিশেষ করে, তিনি দুই দেশের বিচার ব্যবস্থায় পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া সৃষ্টিতে উভয় দেশের বিচারকদের সমন্বয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে চীন ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।

এছাড়া, চীনের রাষ্ট্রদূত প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন—জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় তার দেশ বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে।

তিনি আরও জানান যে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে আকস্মিক বন্যার প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল তা মোকাবিলায় চীন বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়েছে। পারস্পরিক সুসম্পর্কের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান বিচারপতি চীনের রাষ্ট্রদূতকে বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের বিচার বিভাগের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে, ছাত্র-জনতার স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত জুলাই-আগস্ট বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে বদ্ধ পরিকর।



Source link

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *