জাতীয় পার্টি ও এনডিএফ প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে রিট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এই রিট আবেদন করেন। রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।
রিটে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জাতীয় পার্টির জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন অংশ। সেদিন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন জাপার মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী।
আরও পড়ুন : রমজান মাসে স্কুল বন্ধের দাবিতে আইনি নোটিশ
রিটের যুক্তি সম্পর্কে আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বধীন ১৪ দলীয় জোট মহাজোট হিসেবে পরিচিত। এই মহাজোট জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই জোটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ/ইনু), জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), তরিকত ফেডারেশনসহ ১৪টি দল ছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে তারাও অপরাধ করেছে। যে কারণে সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তারা নির্বাচনের অযোগ্য হবে।
এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে গত বছরের ১২ মে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এই প্রজ্ঞাপনের প্রসঙ্গ রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবী শাহরিয়ার কবির আরও বলেন, ‘ওই প্রজ্ঞাপন দিয়ে সরকার আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। অঙ্গসংগঠন মানে আওয়ামী লীগের সব অঙ্গসংগঠন। সহযোগী সংগঠন মানে ১৪ দল। ভ্রাতৃপ্রতিম মানে হচ্ছে জাতীয় পার্টি। সে জন্য ভ্রাতৃপ্রতিম জাতীয় পার্টি সব সময় আওয়ামী লীগের নীতি–আদর্শকে সমর্থন দিয়েছে। ভ্রাতৃপ্রতিম এই দলের প্রার্থী কীভাবে নির্বাচন কমিশন বৈধতা দেয়?’
Source link
tags]
Leave a Reply