টিএফআই সেল পরিদর্শনে যাচ্ছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা


র‍্যাবের গুমঘর হিসেবে পরিচিত টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিদর্শনে যাবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিষয়ে আদেশ দিয়েছেন।

আদেশের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাত সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী তাবারক হোসেন।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আদালত আমাদের পক্ষে অনুমতি দিলেও প্রসিকিউশন জানিয়েছে তারাও আমাদের সঙ্গে যেতে চায়। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই, যদি ডিফেন্সের কাজে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়।

আইনজীবী তাবারক হোসেন আরও জানান, প্রসিকিউশনের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরিদর্শনের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিএফআই সেলে গুমের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় গত বছরের ২২ ডিসেম্বর পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।

এই মামলায় মোট ১৭ জন আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন, তারা সবাই সেনা কর্মকর্তা। গ্রেফতার হওয়া ১০ জনের মধ্যে সাতজনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন তাবারক হোসেন।

প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে বিরোধী মতাদর্শ ও প্রতিপক্ষকে দমনের কৌশল হিসেবে তৎকালীন সরকার পদ্ধতিগতভাবে ক্রসফায়ার, গুম, হত্যা, অপহরণ এবং গোপন স্থানে আটক রেখে নির্যাতনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে সারা দেশব্যাপী এসব অপরাধ সংঘটিত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় র‍্যাব সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন ব্যাটালিয়নে গড়ে তোলা হয় গোপন বন্দিশালা ও নির্যাতন কেন্দ্র।

প্রসিকিউশনের তথ্যমতে, রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ ব্যাটালিয়নের কম্পাউন্ডে পুরোনো অস্ত্রাগার সংলগ্ন একটি দ্বিতল ভবনে টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিচালিত হতো।



Source link

tags]

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *