বাদী ও তিন শিক্ষকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ধর্ষণচেষ্টার একটি সাজানো ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করার অভিযোগে মামলার বাদীসহ তিন শিক্ষক এবং স্কুল কমিটির এক সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা রকিবুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২৪ সালের ৬ মে বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে স্কুলটির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
তবে মামলার তদন্তভার পাওয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি। পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় মামলার আসামি ওই শিক্ষক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে ট্রাইব্যুনালে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। পাল্টা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসা-কে।
তদন্ত শেষে তিনি ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকৃত আসামিরা হলেন, হয়রানিমূলক ধর্ষণচেষ্টা মামলার বাদী সেকেন্দার আলী, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফকরজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,
এবং শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা।
আদালত সূত্র জানায়, তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা আইনের অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত হয়রানির শামিল। এ কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Source link
tags]
Leave a Reply